Saturday, September 29, 2012

যিকিরের ফযীলত

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“এমন দু’টি বাক্য আছে যা উচ্চারণ করতে খুবই সহজ, ওজন-দণ্ডের পরিমাপে খুবই ভারী, দয়াময় আল্লাহর নিকট খুবই প্রিয় (বাক্য দু’টি হলো)- 
‘সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি 
সুবহানাল্লাহিল ‘আযীম’
(অর্থ: মহা পবিত্র আল্লাহ্, তাঁর জন্য সমস্ত প্রশংসা। 
মহা পবিত্র আল্লাহ্, তিনি মহামহিম।)”


[মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, বুখারী: ৬৪০৬, মুসলিম: ২৬৯৪]

Thursday, September 20, 2012

দোয়া!

আল্লাহর কাছে এই দোয়া করুনঃ

"হে আল্লাহ! আমি আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা থেকে এবং আশ্রয় চাচ্ছি কাপুরুষতা থেকে। আর আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের চরম পর্যায় থেকে। দুনিয়ার ফিৎনা ফাসাদ আর কবরের আযাব থেকে।"


(বোখারিঃ ৫৮৮৮)

ইসলামের বুনিয়াদ!

আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ্ বিন উমার বিন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, 

তিনি বলেছেন- 
"আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি- 
পাঁচটি জিনিসের উপর ইসলামের বুনিয়াদ রাখা হয়েছে- 
সাক্ষ্য দেয়া যেঃ
১. আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন সত্য মা’বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল
২. সালাত কায়েম করা 
৩. যাকাত আদায় করা
৪. আল্লাহর ঘরের হজ্জ করা এবং 
৫. রমাদানে সওম পালন করা


(বুখারীঃ ৭, মুসলিমঃ ২১)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, 
"যে ব্যক্তি জানাজার নামাযে উপস্থিত থাকে তাকে এক কিরআত পরিমাণ সওয়াব দেয়া হয় আর সে যদি দাফন কর্মেও শরীক থাকে তবে তাকে দুই কিরআত পরিমাণ সওয়াব দেয়া হয়। এক কিরআত উহুদ (একটি বিরাট পাহাড়) সমতুল্য।"


[মুসলিম, ২০৬৯, ইফা]

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে,

নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেনঃ 
"তোমাদের কেউ খাওয়ার সময় যদি তার লোকমা পড়ে যায় তবে এতে সন্দেহের কিছু [ধুলো-বালি জাতীয়] দেখলে সে যেন তা পরিস্কার করে নেয় এবং তারপর তা খেয়ে নেয়। আর শয়তানের জন্য সে যেন তা ছেড়ে না দেয়।" 


{সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-১৮০৯}

Monday, September 17, 2012

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেনঃ 

"যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দুনিয়ার কোন একটি পেরেশানী দূর করবে 
আল্লাহ তায়া'লা তার আখেরাতের একটি পেরেশানী দূর করবেন। 
যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের একটি দোষ গোপন রাখবে 
আল্লাহ তায়া'লা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ ঢেকে রাখবেন। 
আল্লাহ ততক্ষণ কোন বান্দার সাহায্যে থাকেন 
যতক্ষণ সে তার এক ভাইয়ের সাহায্যে ব্যস্ত থাকে।"


{সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-১৪৩১}

Sunday, September 16, 2012

বিপদের দোয়া!

নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বিপদের সময় এই দোয়া পড়তেন-

অর্থঃ
"আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, যিনি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন এবং অশেষ ধৈর্য্যশীল!
আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, যিনি আরশে আযিমের প্রভু!
আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, যিনি আসমান ও জমিনের মালিক এবং সম্মানিত আরশের মালিক!"


{বুখারী ৫৯০৫, ৫৯০৬}

জাহান্নামের শাস্তি!

মহানবী (সঃ) বলেছেনঃ 
"জাহান্নামবাসীদের সবচেয়ে সহজতর শাস্তি হল সেই ব্যক্তির যার দুটি পায়ের তলায় দু'টো জ্বলন্ত আংঙ্গার রেখে দেয়া হবে, আর সেই কারনে তার মাথার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে।"

[মুসলিম/৪০৭]

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

আবূ হুরাইরাহ (রা) হতে বর্ণিত-

রাসূল (সা) বলেছেনঃ 
"আমার উম্মাতের সবাই জান্নাতে যাবে; কিন্তু সে নয় যে অস্বীকার করেব।"

জিজ্ঞেস করা হল, 
"হে আল্লাহ্‌র রাসূল! [জান্নাতে যেতে আবার] কে অস্বীকার করবে?"

তিনি বললেনঃ 
"যে আমার অনুসরণ করবে, সে জান্নাতে যাবে এবং যে আমার অবাধ্যতা করবে, সেই জান্নাতে যেতে অস্বীকার করবে।"


[সহীহ বুখারী, হাদীস ৭২৮০]

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত-

রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন-
"তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। যদি সে নেককার হয় তাহলে (দীর্ঘ জীবনের কারণে) বেশী বেশী সৎকাজ করতে পারবে। আর যদি সে পাপিষ্ট হয় তাহলে হয়তো (তওবা করে আল্লাহ ও বান্দার হক আদায় করে) আল্লাহর সন্তুষ্টিঅন্বেষণ করবে।"

(বুখারী শরীফ, হাদিস নং-৬৮০৮)

প্রতিবেশীর হক!

হযরত আয়েশা [রাযি:] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, 
"ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার দুইজন প্রতিবেশী আছে। আমি [কোনো কিছু হাদিয়া দিতে চাইলে] তাদের কোন জনকে দিব?"
উত্তরে রাসূল [সা] বললেন, 
"দু'জনের মধ্যে যার ঘর তোমার বেশি নিকটে।"


[সহীহ বুখারী ১/৩০০]

Friday, September 14, 2012

আবূ হুরাইরাহ (রা) হতে বর্ণিতঃ

রাসূল (সা) বলেছেনঃ 
"আমার উম্মাতের সবাই জান্নাতে যাবে; কিন্তু সে নয় যে অস্বীকার করেব।"

জিজ্ঞেস করা হল, "হে আল্লাহ্‌র রাসূল! [জান্নাতে যেতে আবার] কে অস্বীকার করবে?"

তিনি বললেন, "যে আমার অনুসরণ করবে, সে জান্নাতে যাবে এবং যে আমার অবাধ্যতা করবে, সেই জান্নাতে যেতে অস্বীকার করবে।"


[সহীহ বুখারী, হাদীস ৭২৮০]
আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছেন , 

"বলত যদি তোমাদের কারও বাড়ির সামনে একটা নদি থাকে এবং সে তাতে প্রত্যহ ৫ বার গোসল করে, তাহলে কি তাঁর দেহে কোন ময়লা থাকবে? তারা বললেন তাঁর দেহে কোন রুপ ময়লা থাকবেনা। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন এই হচ্ছে ৫ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরন। এর মাধ্যমে আল্লাহ তালা (বান্দার) গুনাহসমূহ মাফ করে দেন । 


(বুখারিঃ ৫০৩)

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ 

“আল্লাহ তাআলা প্রতি রাতের শেষাংশে – শেষ তৃতীয়াংশে - নিকটবর্তী আসমানে অবতীর্ণ হয়ে আহবান জানাতে থাকেন ‘এমন কেউ কি আছে যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? এমন কেউ কি আছে যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে দেব? আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দেব?”


[বুখারী, হাদীস নং ১১৪৫, মুসলিম হাদীস নং ৭৫৮]

Thursday, September 13, 2012

আল্লাহর বাণী (কোরআনের আয়াত)!

বোধ সম্পন্ন লোকদের জন্যে আল্লাহ অনেক কিছু রেখেছেন এই পৃথিবীতে-

"নিশ্চয় আসমান ও যমীন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধ সম্পন্ন লোকদের জন্যে। যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষযে, (তারা বলে) পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও।" 

[সূরা আল ইমরান - ১৯০,১৯১]

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

আনাস (রাঃ)হতে বর্ণিত,

রাসুল(সাঃ)বলেছেন,
"ততক্ষন পর্যন্ত তোমাদের কেউ প্রকৃত ঈমানদার হবে না;
যতক্ষন পর্যন্ত না সে তার ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করবে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।"

[বুখারী,মুসলিম]

মুসলিমের প্রতি মুসলিমের ছয়টি অধিকার!!!

হযরত আলী ( রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন.

রাসূল (স) ইরশাদ করেন.
একজন মুসলিমের প্রতি অন্য মুসলিমের ছয়টি অধিকার রয়েছে। যথা :

১. কোন মুসলমানের সাথে সাক্ষাত্‍ হলে তাকে সালাম দেয়া
২, কোন মুসলমান আহব্বান করলে তার আহব্বানে সাড়া দেয়া
৩, কোন মুসলমান হাঁচি দিলে তার জবাব দেয়া
৪. রোগাক্রান্ত হলে তার সেবা যত্ন করা
৫, কোন মুসলমান মূত্যুবরণ করলে তার জানাযায় অংশ নেয়া
৬. নিজের যা পছন্দ অন্যের জন্যে ও তা পছন্দ করা

তিরমীযি ও দারেমী
হাদিস নং ৪৪৩৬

Wednesday, September 12, 2012

সূরা এখলাস পাঠের ফজিলত!

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের জিজ্ঞেস করলেন: 
‘তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ পড়তে পারবে?’ 

তারা এটাকে কঠিন মনে করল এবং বলল: 
‘হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের মধ্যে কেইবা সেটা করতে সক্ষম হবে?’ 

তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : 
"এ সূরাটি (সূরা এখলাছ) একবার পড়লে পুরা কুরআনের তিন ভাগের এক ভাগ তিলাওয়াত করার সাওয়াব পাওয়া যায়।’’

[বুখারী : ৫০১৫]

আল্লাহর বাণী (কোরআনের আয়াত)!

বোধ সম্পন্ন লোকদের জন্যে আল্লাহ অনেক কিছু রেখেছেন এই পৃথিবীতে-

"নিশ্চয় আসমান ও যমীন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধ সম্পন্ন লোকদের জন্যে। যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষযে, (তারা বলে) পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও।" 

[সূরা আল ইমরান - ১৯০,১৯১]

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত,

রাসুল (সাঃ) বলেছেন,
"ততক্ষন পর্যন্ত তোমাদের কেউ প্রকৃত ঈমানদার হবে না;
যতক্ষন পর্যন্ত না সে তার ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করবে,
যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।"

[বুখারী, মুসলিম]

Tuesday, September 11, 2012

আল্লাহর কাছে এই দোয়া করুন...

এই দোয়া করুন...

"হে আল্লাহ! 
সমস্ত প্রশংসা তোমার জন্য। 
তুমি আকাশমণ্ডলী-পৃথিবী ও এর মধ্যকার সকল কিছুর নূর। 
সমস্ত প্রশংসা তোমার জন্যই। 
তুমি আকাশমণ্ডলী-পৃথিবী ও এর মধ্যকার সকল কিছুর রক্ষক। 
সকল প্রশংসা তোমার, তুমি আকাশমণ্ডলী-পৃথিবী ও এর মধ্যকার সকল কিছুর প্রতিপালক। 
তুমি সত্য, তোমার প্রতিশ্রুতি সত্য। 
তোমার বাণী সত্য। তোমার দর্শন লাভ সত্য। 
জান্নাত সত্য। জাহান্নাম সত্য। নবিগণ সত্য। 
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য। 
কেয়ামত সত্য।"

[বোখারি : ৫৮৪২]

রাসুল [সঃ] এর বাণী!

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- 

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেনঃ
"আমার কাছ থেকে মেয়েদের সাথে সদ্ব্যবহার করার শিক্ষা গ্রহণ কর। কেননা নারী জাতিকে পাঁজরের
বাঁকা হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। পাঁজরের হাড়গুলোর মধ্যে ওপরের হাড়টা সর্বাপেক্ষা বাঁকা। অতএব তুমি যদি সোজা করতে যাও, তবে ভেঙ্গে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। আর যদি ফেলে রাখ তবে বাঁকা হতেই থাকবে। অতএব, নারীদের সাথে ভালো ব্যবহার কর।"

[বুখারী ও মুসলিম]
* রিয়াদুস সালেহীন - ২৭৩

Monday, September 10, 2012

মুসলমানদেরকে তুচ্ছজ্ঞান করা হারাম!

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, 

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
“একটি মানুষের জন্য মন্দ-খারাপ হওয়ার জন্য যথেষ্ট যে, সে তার মুসলমান ভাইকে তুচ্ছজ্ঞান করবে।”

[মুসলিম: ২৫৬৪]

জুম্মা এবং হাদীস!

আবু হুরায়রা [রাযিঃ] থেকে বর্ণিত যে, 

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া-সাল্লাম বলেছেনঃ সূর্য উদিত হয় এমন সকল দিনের মধ্যে শ্রেষ্ট দিন হল জুমুআর দিন। এই দিনেই আদম [আ:] কে সৃষ্টি করা হয়। এদিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করান হয়। এই দিনেই তাঁকে তা থেকে বের করা হয়। আর এই জুমুআর দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।

(তিরমিযী-৪৮৮)

জুম্মার ফযীলত সম্পর্কিত হাদিস!!


আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকেই বর্ণিত,

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযু করল, অতঃপর জুম্মা পড়তে এল এবং মনোযোগ সহকারে খুতবাহ শুনল, সে ব্যক্তির এই জুম্মা ও (আগামী) জুম্মার মধ্যেকার এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিনের (ছোট) পাপসমূহ মাফ করে দেয়া হল। আর যে ব্যক্তি (খুতবাহ চলাকালীন সময়ে) কাঁকর স্পর্শ করল, সে অনর্থক কর্ম করল।” (অর্থাৎ, সে জুম্মার সওয়াব বরবাদ করে দিল)।

{মুসলিম ৫৮৭, আবূ দাউদ ১০৫০,ইবনু মাজাহ ১০১০}


----------

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,

"জুম’আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়-
(১) 
এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।

(২)
দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম’আয় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।

(৩)
তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম’আয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।"

[আবু দাউদঃ ১১১৩]